পাবনাসারাদেশ

আচরণবিধি ভঙ্গের জবাব দিলেন পাবনা-৫ আসনের নৌকার প্রার্থী প্রিন্স

নগর খবর ডেস্ক : নৌকার প্রতিকৃতি তৈরি করে আলোকসজ্জা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ফেস্টুন লাগিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে শোকজের জবাব দিয়েছেন পাবনা-৫ (সদর) আসনে নৌকার প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স।

রোববার (২৪ ডিসেম্বর) পাবনা-৫ আসনের নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির প্রধান ও পাবনা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) মো. নাজমুল হোসেনের কাছে প্রতিনিধির মাধ্যমে জবাব দেন গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রিন্সের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ খান রতন বলেন, বৈদ্যুতিক খুঁটিতে লাগানো পোস্টার ও নৌকার প্রতিকৃতি তৈরি করা আলোকসজ্জা সরিয়ে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। একইসঙ্গে নেতাকর্মীদের এমন কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) নৌকার প্রতিকৃতি তৈরি করে আলোকসজ্জা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ফেস্টুন লাগিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সকে শোকজ করেন পাবনা-৫ এর নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পাবনা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) মো. নাজমুল হোসেন।

গোলাম ফারুক প্রিন্সকে শোকজ করা চিঠিতে বলা হয়েছিল, ২০ ডিসেম্বর ও ২১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুসন্ধান কার্য পরিচালনাকালে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত লাইব্রেরি বাজার এলাকায় ডিসি রোডে মাছ বাজারের সামনে ভিশন ডিস ও ইন্টারনেট লাইন অফিস অবস্থিত ভবনের দোতলায়, লাইব্রেরি বাজার থেকে জজ কোর্টগামী রাস্তার ডান পাশে আওয়ামী লীগ পার্টি অফিসের সামনে এবং একই রাস্তায় আটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে ইছামতি নদীর ওপর অবস্থিত ব্রিজের আগে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে নির্বাচনী প্রতীক নৌকার প্রতিকৃতি তৈরি করেছেন। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আলোকসজ্জা করেছেন। এছাড়াও জজ কোর্ট থেকে পাবনা শহরগামী আব্দুল হামিদ রোডের উভয় পাশে প্রায় সব বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ১০ এর (গ) উপবিধি ও বিধি ৭ এর (১) উপবিধি (ক) লঙ্ঘন করা হয়েছে।
শোকজে আগামী ২৪ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় সশরীরে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর খাস কামরায় উপস্থিত হয়ে নিজে নতুবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। অন্যথায় শোকজধারীর ব্যাখ্যা ব্যতীত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয় কমিটি।

Back to top button