রাজশাহীর মাংস ও তেলের বাজারে আগুন » নগর খবর
  1. jahid.raj24@gmail.com : Jahid :
  2. mamun@gmail.com : mamun :
  3. ms2120524@gmail.com : Mridul :
  4. nogorkhobor@gmail.com : nogorkhobor@admin :
  5. parish@gmail.com : parish :
  6. parvaje01842@gmail.com : নগর ডেস্কঃ :
  7. rumonahamed442@gmail.com : Rumon Ahamed : Rumon Ahamed
  8. sagor.hosaain2@gmail.com : sagor.hasaain :
রাজশাহীর মাংস ও তেলের বাজারে আগুন » নগর খবর
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
নগর খবর শিরোনামঃ

রাজশাহীর মাংস ও তেলের বাজারে আগুন

  • নগর ডেস্ক
    নগর খবর
    আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : রমজানের ১৩ রোজার দিন শুক্রবার। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নগরীর বাজারে চাল, ডাল, শাকসবজি কিছু কমবেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নজরে পড়েছে, প্রতি সপ্তাহে ধারাবাহিকভাবে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ার চিত্র। এদিকে মাংসের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা জানাচ্ছেন মাংসের ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) নগরীর সাহেব বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সয়াবিন তেলের মূল্য প্রতি লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে। গত ২ সপ্তাহ আগে এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪৫ টাকা ছিল। আর গত সপ্তাহে ১০ টাকা বেড়ে ১৫৫ টাকা লিটার বিক্রি হয়েছে। এ সপ্তাহে পুনরায় ৫ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বর্ণালী মোড় থেকে বাজারে আসা ইমন জানান, বাজারে তেলের সংকটে বাড়ছে দাম। মজা লুটছে খোলা বা লুজ তেল যারা বিক্রি করছেন। এরা কারও কাছ থেকে ১৫০ টাকা কারও কাছ থেকে ১৬০ টাকা প্রতি লিটারে দাম রাখছে। তাদের মূল্য তালিকায় কারও ১৫৫ টাকা কারও ১৫০ টাকা লিটার উল্লেখ করা আছে। সাধারণ ক্রেতা হিসেবে দাবি থাকবে, তেলের বাজার সাধারণ বিক্রেতাদের জরিমানা করার আগে যেন ডিলারদের যাচাই করেন।

বাজারের মেসার্স নীল ট্রেডার্সের কর্মী জানান, নতুন বছর পড়ার পর থেকে ভোজ্য তেলের ডিলারদের কাছে ১০ কার্টুন তেলের অর্ডার করা হলে তারা আমাদের হাতে ৫ কার্টুন তুলে দিতেন। মাঝে মাঝে তেলের সংকট দেখা গেছে। দাম যতই বেশি হোক সরবরাহ কম থাকায় অনেক ব্যবসায়ীরা চাহিদা অনুযায়ী দাম বাড়িয়ে খোলা ও লুজ তেল ক্রেতাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এখন এমন অবস্থা হয়েছে, ডিলারদের কাছে গিয়ে তেল নিয়ে আসতে হচ্ছে। আগাম জানিয়ে রাখলেও ক্রেতাদের যতটা চাহিদা সেই পরিমাণ তেল পাওয়া যাচ্ছে না। মশলা গুলোর দাম খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। তবে, মশলার মধ্যে জিরার দাম গত দুই সপ্তাহ থেকে ক্রেতাদের কাছে ৪০০ টাকা কেজি প্যাকেট বিক্রি হয়েছে। যেখানে দোকানিরা পাইকারি মূল্য ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায় নিয়ে আসতেন। বর্তমানে এই জিরা প্রতিকেজি ৩৬০ থেকে ৩৭০ টাকায় নিয়ে আসছেন দোকানিরা। বর্তমানে জিরা খুচরা ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। দাম বাড়বে বলে মন্তব্য করছেন মুদি দোকানিরা।

শাকসবজির বাজারে এবছরে নতুন উঠেছে কাকরোল। নজর কাড়া দাম। প্রতি কেজি কাকরোল ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি সজনে , বরবটি ৬০ টাকা, আলু ১৬ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, তরই ৭০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, শশা ২০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, ঢেড়শ ২০ টাকা কমে ৪০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০ টাকা কমে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, পেঁয়াজ ২৫ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, আদা ৮০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, করলা , রসুন ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

অন্যদিকে, মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে মাংসের দাম কমার চিত্র। প্রতি দেশী মুরগি ও সোনালী মুরগির দাম ২০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির ১০ টাকা কমেছে। প্রতি কেজি দেশী মুরগি ৪৭০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা, সোনালী মুরগি ১৪৫ থেকে ২৫০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগি ২৪০ টাকা, সাদা লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা, মোরগ ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এবার ইদে গরু ছাগলের মাংসের দাম বাড়তে পারে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। কারণ জানতে চাইলে, বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মোস্তাকিম জানান, রাজশাহীর পশু হাটগুলোতে ঢাকা চট্টগ্রাম কুমিল্লা সিলেট থেকে থেকে বড় বড় মাংস ব্যবসায়ীরা আসছেন। চড়াও দামে তারা এখান থেকে ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে আমাদের ও বেশি দামে পশু ক্রয় করতে হবে। তাহলে আমাদের বিক্রিও বেশি দামে করতে হবে। আমাদের কাছে সরবরাহ কম থাকবে। ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হবে। বর্তমানে খাশির মাংসের কেজি ৮৫০ টাকা থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইদের আগে ১ হাজার ২০০ টাকা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গরুর মাংস ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা কম হওয়ার দোকানিরা লোকসান করে ৬২০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।
প্রতি বছর বাঙালিদের ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখ এলেই ইলিশ মাছের দাম বাড়তে দেখা গিয়েছে। এবছরে ইলিশ মাছের সরবরাহ বেশি থাকায় ২০০ টাকা দাম কমেছে। গত সপ্তাহে ইলিশ মাছের দাম ১৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এ সপ্তাহে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়াও সরবরাহ বেশি থাকায় মাছের দাম ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে বলে জানান মাছ ব্যবসায়ী আলমগীর।

এছাড়া কাতলা ২২০ টাকা, রুই ২০০ টাকা, মিড়কা ১৪০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ টাকা, আইড় ৪৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০ টাকা, শোল ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৩৫০ টাকা, পাবদা ২৭০ টাকা, পাতাসী ৬০০ টাকা, বাটা ১২০ টাকা, ময়া ৩০০ টাকা, পিওলি ৩০০ টাকা, চিংড়ি ৭০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, মাগুর ৪০০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি হয়েছে।


এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, nogorkhobor@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন NogorKhobor আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

এই বিভাগের আরও খবর

আমাদের লাইক পেজ

Facebook Pagelike Widget