ফেলে দেয়া আঁশই অর্থ উপার্জনের মাধ্যম! » নগর খবর
  1. jahid.raj24@gmail.com : Jahid :
  2. mamun@gmail.com : mamun :
  3. Manikhosen415@gmail.com : Manik :
  4. ms2120524@gmail.com : Mridul :
  5. naim2020hasan@gmail.com : naime :
  6. nogorkhobor@gmail.com : nogorkhobor@admin :
  7. parish@gmail.com : parish :
  8. parvaje01842@gmail.com : নগর ডেস্কঃ :
  9. rumonahamed442@gmail.com : Rumon Ahamed : Rumon Ahamed
  10. sagor.hosaain2@gmail.com : sagor.hasaain :
ফেলে দেয়া আঁশই অর্থ উপার্জনের মাধ্যম! » নগর খবর
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

ফেলে দেয়া আঁশই অর্থ উপার্জনের মাধ্যম!

  • নগর ডেস্ক
    নগর খবর
    আপডেটের সময় : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১

রাজশাহী নগর ডেস্কঃ রাজশাহী নগরীর মাস্টারপাড়া মাছ বাজার। দেখে বেছে, কান টিপেই মাছ কিনছেন ক্রেতারা। বিনে পয়সায় সে মাছের আঁশ তুলে পরিষ্কার করছেন যুবক নূর ইসলাম। স্বেচ্ছাশ্রম নয়, বিনিময়ে নিচ্ছেন ফেলে দেয়া মাছের আঁশ। সামান্য এ আঁশই তার কাছে যেন কুড়িয়ে পাওয়া ধন। সে মজুত বাড়াতে বাজারের অন্যান্য দোকানগুলো থেকেও আঁশ সংগ্রহ করছেন তিনি।

সাধারণ চোখে যা উচ্ছিষ্ট, কারও কাছে তা অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। ফেলে দেয়া এ উপাদান হতে পারে দামি প্রসাধন, অলঙ্কার কিংবা জীবন রক্ষাকারী ওষুধের উপকরণ। শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও মাছের আঁশ এখন এমনই অবস্থানে পৌঁছে গেছে।

আঁশ সংগ্রহ শেষে, তা থেকে মাছের কাঁটা, পরপাখনা ও পচনশীল দ্রব বেছে নেয়া, এরপর পানিতে ধুয়ে রোদে শুকালেই সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ। নগরীর হড়গ্রাম, শালবাগান, বিনোদপুরসহ অর্ধশতের বেশি বাজারে শতাধিক মাছ বিক্রেতারা যোগ দিয়েছেন এ কাজে।

আঁশ দিয়ে মাছ-মুরগির খাবার, নারীর গহনা, ওষুধের কাভার তৈরিসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে তা কিনছেন ঢাকা-চট্টগ্রামের মহাজনরা। তাতে বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়েছে বলে জানান মাছ বাজারের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের।

আর সম্ভাবনাময় এ খাতের পরিসর বাড়িয়ে আঁশ সংরক্ষণের উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অসক কুমার সাহার।

প্রতি মাসে মাছ ব্যবসায়ীদের প্রতিজন দুই থেকে প্রায় আড়াই মণ আঁশ সংগ্রহ করতে পারেন। পাইকাররা তা মানভেদে কেনেন প্রতিমণ ১৬শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে। এই আঁশ ঢাকা-চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে সুদূর চীন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে।


এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, nogorkhobor@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন NogorKhobor আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

এই বিভাগের আরও খবর