নিজস্ব প্রতিনিধি :বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশী বিভাগের ভূ-সম্পত্তি শাখার ফিল্ড কানুনগো মোঃ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বহাল থাকা সত্ত্বেও একই জমি অন্যের নামে বেআইনিভাবে বরাদ্দ এবং চাপ সৃষ্টি করে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
আজ শনিবার (১ আগস্ট) রাজশাহীতে সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য জানান ভুক্তভোগী মোঃ রেজাউল করিম। ভুক্তভোগী পাবনা জেলার কাশীনাথপুর গ্রামের মৃত ফাইম উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে।
লিখিত অভিযোগে রেজাউল করিম জানান, তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পত্তি চাষাবাদের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভূ-সম্পত্তি বিভাগে আবেদন করেন। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাকে বৈধভাবে লাইসেন্স প্রদান করে। কিন্তু পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার নামে লাইসেন্স বহাল থাকা অবস্থাতেই নিয়মবহির্ভূতভাবে এলাকার চার ব্যক্তি মোঃ আরিফুজ জামান নান্টু, মোঃ দারোগ আলী, মোঃ তারেক এবং মোঃ মনির হোসেনের নামে একই জমি পুনরায় লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
লাইসেন্স প্রদানের সময়সীমা ও তারিখ নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগী প্রশ্ন জানান, উক্ত ব্যক্তিদের লাইসেন্স প্রদানের নথিতে তারিখ দেখানো হয়েছে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি। অথচ ওই কর্মকর্তা পোড়াদহ কাচারির দায়িত্বে যোগ দেন মে মাসে। দায়িত্ব পাওয়ার আগের তারিখে কীভাবে তিনি লাইসেন্স স্বাক্ষর বা প্রদান করলেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
রেজাউল করিম আরও অভিযোগ করেন, জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে ফিল্ড কানুনগো মনিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে জমি ফেরত দেওয়ার প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিসের উচ্চমান সহকারী তাপসী সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে দুই লাখ টাকা লেনদেনের মিথ্যা অভিযোগ দিতে বাধ্য করেন।
এ ঘটনায় তিনি তার বৈধ লাইসেন্স ও চাষাবাদের জমি ফেরত পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম) এর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি অভিযুক্ত ফিল্ড কানুনগো মোঃ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফিল্ড কানুনগো মনিরুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।









